অনাক্রম্যতা কী ?(what is immunity?)

অনাক্রম্যতা কী ?(what is immunity?)

Immunity




**অ্যান্টিজেন (Antigen) :- দেহে অনুপ্রবিষ্ট কারী বিজাতীয় জীবাণু বা অধিবিষ অনাক্রম্যতা তন্ত্রকে উত্তেজিত করে প্রতিরোধ ব্যবস্থা কে সক্রিয় করে তোলে তাকে অ্যান্টিজেন বলে। উদাহরন : ভাইরাস

**অ্যান্টিবডি (Antibody) :- দেহের মধ্যে যেসব প্রোটিন জাতীয় পদার্থ অ্যান্টিজেন কে প্রতিহত করে তাকে এ্যান্টিবডি বলে।

**অনাক্রম্যতা (Immunity) :- যে কোন বিজাতীয় প্রোটিন এর বিরুদ্ধে আমাদের দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পদ্ধতি কে  অনাক্রম্যতা বলে ।

**নিউট্রোফিল (Neutrophils)- শ্বেত কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস পদ্ধতি জীবাণু ধ্বংস করে ।


**ইওসিনোফিল (Eosinophils):- শ্বেত কণিকা হিস্টামিন নিঃসরণ করে অ্যালার্জি প্রতিরোধ করে ।

**বেসোফিল (Basophils):শ্বেতকনিকা হেপারিন নিঃসরণ করে রক্তবাহের মধ্যে রক্তকে জমতে দেয়না ।

**মনোসাইট (Monocytes):- শ্বেত কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস পদ্ধতিতে জীবাণু ধ্বংস করে ।

**লিম্ফোসাইট (Lymphocytes):- শ্বেত কণিকা এন্টি বডি তৈরি করে দেহে ইমিউনিটি তৈরি করে ।
blood cell, human blood
Blood cell
**সহজাত অনাক্রম্যতা (Innate immunity):- যে অনাক্রম্যতা জন্মের সময় থেকে বংশপরম্পরায় সঞ্চালিত হয় এবং দেহের সাধারণ স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম, তাকে সহজাত অনাক্রম্যতা বলে

**অর্জিত অনাক্রম্যতা (Acquired immunity): - যেসব অনাক্রমতা সহজাত নয়, জন্মের পর দেহে রোগজীবাণু প্রবেশের ফলে সৃষ্টি হয় তাদের অর্জিত অনাক্রমতা বলে ।

**লিম্ফোসাইট (Lymphocytes)-শ্বেতকণিক দুইপ্রকার,যেমন:- T লিম্ফোসাইট ও B লিম্ফোসাইট।

**বিভিন্ন ধরনের ম্যাক্রোফেজ (Macrophase) :-গুলি হল যকৃতের কুফার কোষ (kuffer cells) ,অস্থির অস্টিওক্লাস্ট (Osteoclast) ,বৃক্কের মেসেন্জিয়াল কোশ (Messengial cell),মস্তিষ্কের মাইক্রোগ্লিয়াল(microglial cells) অ্যালভিওলাম্যাক্রোফেজ (alveolar macrophage), যোগ কলার হিস্টিয়সাইট (histiocytes)।

**অনাক্রম্যতা অন্তর্গত গ্রন্থি গুলি হল: - থাইমাস গ্রন্থি ,অস্থিমজ্জা, লসিকা লসিকাবাহ, প্লীহা টনসিল

**হ্যাটেস(Haptens) এর অপর নাম অসম্পূর্ণ অ্যান্টিজেন

**এপিটোপ (Epitope):- অ্যান্টিজেনের যে অংশে অ্যান্টিবডি বিরুদ্ধে অনাক্রম্য সারা সৃষ্টি করে তাকে এপিটোপ বলে।

**প্যারাটোপ (Paratope):-  অ্যান্টিবডি লিম্ফোসাইট এর যে অংশে অ্যান্টিজেন এর সঙ্গে রাসায়নিক বন্ধনে আবদ্ধ হয় তাকে প্যারাটোপ  বলে

**ফ্যাগোসাইটোসিস (Phagocytosis):- যে প্রক্রিয়ায় রোগজীবাণু ফ্যাগোসাইটিক কোশে কো পর্দা দ্বারা ফ্যাগোজোম গঠনের মাধ্যমে ধ্বংস হয় তাকে ফ্যাগোসাইটোসিস বলে

**অ্যান্টিবডি রাসায়নিক প্রকৃতিতে এরা সব সময় গ্লাইকোপ্রোটিন


**অ্যান্টিজেন রাসায়নিক প্রকৃতিতে এরা সব সময় যৌগিক প্রোটিন।

**ডায়াপেডেসিস (Diapedesis):- যে প্রক্রিয়ায় দেহের কোন আক্রান্ত স্থানের রক্তজালকের  প্রাচীর ভেদ করে শ্বেত কণিকাগুলি বাইরে বেরিয়ে আসে এবং বহিরাগত জীবাণুদের ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করে তাকে ডায়াপেডেসিস বলে।

**অর্জিত অনাক্রম্যতা দুই প্রকারের :রস ভিত্তিক অনাক্রম্যতা (Humoral immunity) ও কোশ ভিত্তিক অনাক্রম্যতা (Cellular immunity)।

**B- লিম্ফোসাইট দুই প্রকারের:- প্লাজমা কোশ (Plasma cell) ও মেমোরি কোশ (Memory cell)।

**T-লিম্ফোসাইট চার প্রকারের :হেলপার T-কোশ (Helper T- cell),কিলার T-কোশ (Killer T- cell), সাপ্রসর T-কোশ (Suppressor T- cell), মেমরি T-কোশ (Memory T cell)।

**RE তন্ত্র(Reticuloendothelial system): - আগ্রাসনধর্মী কাজে নিযুক্ত কোশ সমূহ দ্বারা গঠিত যে তন্ত্র দেহের প্রতিরক্ষায় অংশ নেয় তাকে RE তন্ত্র বলে যেমন কুফার কোষ, মনোসাইট, নিউট্রোফিল, ম্যাক্রোফেজ

**এরিথেমা (Erythema):- মাস্ট কোশ, বেসোফিল কোশ, নিঃসৃ  হিস্টামিন জীবাণু নিঃসৃত টক্সিন এবং  আক্রান্ত কলা নিঃসৃত ব্রাডিকাইনিন রক্তজালকে প্রসারিত করে ফলে স্থানটি লাল ও উত্তপ্ত হয় ।এই পদ্ধতিকে এরিথেমা বলে ।

**অ্যাসেস (Abscess):- জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত মৃত কলা,মৃত জীবাণু ইত্যাদি আক্রান্ত স্থানে পুঁজ তৈরি করে যে  গহ্বরে পুঁজ সঞ্চিত থাকে তাকে অ্যাসেস বলে।

**পুঁজ (Pus): -মৃত কলা, মৃত জীবানু ,মৃত শ্বেতকণিকা, কলার ইত্যাদি নিয়ে গঠিত গা হরিদ্রাভ তরল কে পুঁজ বলে।
*****************************************
তথ্য সূত্র-
1.উচ্চত্তর জীববিদ্যা- সেন,মিদ্যা ও সাঁতরা
2.জীবনবিজ্ঞান ও পরিবেশ - ছায়া প্রকাশনী
ও ইন্টারনেট সার্চ করে।

3 comments:

Theme images by konradlew. Powered by Blogger.